fbpx
NON FICTION

ঘুমানোর জন্য আমাদের শরীরের অদ্ভুত কারুকার্য। কৌতূহলে ভরা ঘুমের কিছু রহসস্য নিয়ে আজ আলোচনা করবো সহজ উপায়ে।

This picture belongs to https://www.gatesnotes.com

এখানে ‘Why We Sleep: Unlocking the Power of Sleep and Dreams by Matthew Walker’ বই এর থেকে কিছু আংশিক বিষয় নিয়ে এখানে আলোচনা করা হবে।

আমাদের ঘুম আশা আর যাওয়া নির্ভর করে সম্পূর্ণ ভাবে সার-কাদডিয়ান নীতির উপর ভিত্তি করে। বিশেষজ্ঞদের মতে এটি আমাদের অভ্যন্তরীণ এক ঘড়ি যেটি বাহ্যিক বিষয় এর উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেয় কখন ঘুমানোর সময় আর কখন নয়, যেমন বলা যায় আলোর কথা।

সার-কাডিয়ান নীতি আসলে তার সময় নির্ধারণ করে কখন সূর্য উদয় হয় আর অস্ত যায় এই বিষয় এর উপর ভিত্তি করে। এখন প্রশ্ন আসতে অভ্যন্তরীণ ঘড়ি কিভাবে বুঝতে পারে কখন দিন এবং কখন রাত?

আমাদের শরীরে আলোর সঙ্গে তাপমাত্রা কিভাবে স্পর্শ করছে, এবং অন্ধকার এর সময় তাপমাত্রা কিরকম ভাবে স্পর্শ করে সেভাবে নির্ধারণ করতে চেষ্টা করে এই সার-কাডিয়ান নীতি। UV light কে অনেক বিশেষজ্ঞ প্রায় সময় দোষারোপ করে ঘুম এর সমস্যার জন্য। কারণ সার-কাডিয়ান নীতি আলো কে অনেকটা মূল লক্ষ্য হিসেবে ধরে থাকে সময় নির্ধারণ এর জন্য। আমরা ঘুম থেকে উঠবার পর ‘ chemical adenosine’ নামক এক প্রকার রসায়ন মস্তিষ্কে প্রকাশ ঘটায়। এই ‘ chemical adenosine’ এর কারণে আমরা অনেক সময় ঘুম থেকে উঠবার পরেও, আমাদের মাঝে ইচ্ছা জাগে বারবার ঘুমানোর জন্য। আমরা যখন কফি পান করি তখন, সময়-সাময়িক এর জন্য ‘ chemical adenosine’ মস্তিষ্কে অনেক অংশ কমে যায়। কিন্তু যখন ক্যাফেইন এর মাত্রা শরীর থেকে শূন্য পর্যায় চলে যায় তখন, এই ‘ chemical adenosine’ আবার বাড়তে শুরু করে আমাদের শরীরে যার কারণে আমাদের ঘুমের সঙ্গে শরীরে অনেক ক্লান্ত মনে হয়।

( মজার বিষয়, আপনার একটা ফেইসবুক পেইজ এ লাইক, এমন কন্টেন্ট লিখার জন্য সাহায্য আর উৎসাহ দিতে পারে। ধন্যবাদ আপু/ভাইয়া 😁)

ঘুমের মধ্যে আমাদের মধ্যে তিনটি বিষয় প্রভাব ফেলে। আলো, গভীরতা এবং ঘন ঘন চোখের নড়াচড়া।

ঘুমের মধ্যে তিনটি চক্র পরিচালিত হয়। শুরু হয় হাল্কা ঘুম দিয়ে, এরপরে ধীর গতিতে গভীরে প্রবেশ করে সেখান থেকে ‘Slow Wave Sleep’ বা ‘ SWS’ অবস্থানে প্রবেশ করে। এবং তারপরে ‘REM’ বা ‘Rapid Eye Movement sleeping stage’ এ প্রবেশ করে। গভীর ঘুম আমাদের মস্তিষ্কের মাঝে সারাদিন এর স্মৃতি গুলো সংরক্ষণ আর সাজানোর চেষ্টা করে, এবং ‘REM sleeping’ সেই স্মৃতি গুলোকে একত্রিত করে পরীক্ষা চালায়। গভীর ঘুম পর্যায় থাকলে আমাদের মস্তিষ্ক সেসব স্মৃতি মুছে ফেলতে যায় যেগুলো কে আমরা অপ্রয়োজন মনে করতাম সারাদিন। এবং ‘ REM Sleeping’ এ অবস্থান-কালীন আমাদের মস্তিষ্ক শরীরের মাংস-পেশির সঙ্গে যোগাযোগ করতে অক্ষম হয়। মস্তিষ্ক যে কিরকম রহস্যময় আর অদ্ভুত সেটা হাল্কা কিছু অংশ এখন পর্যন্ত বিজ্ঞান আবিষ্কার করতে পারছে।

এই বিষয় কাউরোর ভালো লাগলে জানাবেন, যাতে করে এরকম বিষয় আরো লিখতে পারি।