fbpx
NON FICTION

সব সময় ঘরের অন্তত পক্ষে একটি কামরা সাজিয়ে রাখা উচিৎ সৌন্দর্যের জন্য। – From the book ‘Beyond Order’ By Jordan Peterson

একজন মনোরোগে আক্রান্ত, মনোরোগ বিশেষজ্ঞের চিন্তা

কখনো লক্ষ্য করেছেন, আপনি চিত্রকর্ম দ্বারা সাজ্জিত বা শৈল্পিক কোনো স্থান এ গেলে আপনি তাকিয়ে থাকেন, এ যেনো মনে হয় আপনি সেই শৈল্পিকতার সঙ্গে কথা বলছেন। প্রায় অনেকে অবচেতন ভাবে এসব উপলব্ধি করবার চেষ্টা করি সেই ছোট কাল থেকেই। কিন্তু প্রায় সময় মানুষের বয়স বাড়তে শুরু করলে মানুষ ভুলে যাই সে শৈল্পিক উপলব্ধি আর চিত্রকর্ম । এই প্রজন্মে শৈল্পিক উপলব্ধি কিংবা সেই নান্দনিকতা মানুষ কম উপভোগ করতে পারি, বিশেষ করে যখন মানুষ বয়সের কারনে বিভিন্ন মানসিক চাপ এর মধ্য দিয়ে যাই।

একটা নান্দনিক এবং চমৎকার চিত্রকর্ম কিংবা শৈল্পিক কারুকার্য মানুষকে চমৎকার চিন্তা-ভাবনা করাতে কিংবা আত্ম উপলব্ধি কে আরো গাঢ় করতে চেষ্টা করে। কেউ যখন এক চমৎকার শৈল্পিক কারুকাজ এর সামনে নিজেকে উপস্থিত করে এবং উপভোগ করতে থাকে সেটা, তার মাঝে সে নিজেই উপলব্ধি করতে পারবে এক আশ্চর্য-জনক ইতিবাচক চিন্তা। মানুষের বয়স বাড়তে থাকলে মানুষ মানসিক চাপ এর সঙ্গে পরিচিত হতে শুরু করে, যার কারনে মানুষ অনেকেসময় এই উপলব্ধি ভুলে যায় যে, মানুষের জীবন একটা এবং এই জীবন রঙিন ভাবে সাজাতেও পারবো একবার। কেউ ঘরের নূন্যতম একটি রুম নিজের মন মতন সর্বোচ্চ শৈল্পিক ভাবনা দিয়ে সাজানো শুরু করে, প্রতিবার মানুষ বিশ্রাম এর জন্য ঘরে আসলে মানুষ মনে করতে পারবো মানুষের জীবন কত রঙ্গিন। যখন সেই শৈল্পিকতার দিকে মানুষ তাকিয়ে থাকবে, অবচেতন ভাবে বুঝতে পারবো সাজানো চিন্তা এক মহৎ শৈল্পিক চিন্তা।

( মজার বিষয়, আপনার একটা ফেইসবুক পেইজ এ লাইক, এমন কন্টেন্ট লিখার জন্য সাহায্য আর উৎসাহ দিতে পারে। ধন্যবাদ আপু/ভাইয়া 😁)

গুরুত্ব দিয়ে বলতে গেলে শৈল্পিকতা একটা রঙিন আনন্দ। যেসব শিল্প মানুষকে ভাবায় সেগুলো আসলেই নুতুন চিন্তার দরজা খুলে দেয়। মানুষ তখন বুঝতে পারে এই পৃথিবীতে অনেক পথ আছে এবং চাইলে মানুষ পথ তৈরি করতে পারি কেবল মাত্র সাজানো আর শৈল্পিক চিন্তা দিয়ে।

এই লিখা গুলো জর্ডান পিটার্সন এর ‘Beyond Order’ বই এর একটি অধ্যায় থেকে নেওয়া। সেটির সারমর্ম এখানে তুলে ধরা হলো।